-
- গাছের বৃদ্ধি ও সবুজায়ন: গাছের সালফার ও ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করে, ক্লোরোফিল বা সবুজ কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে এবং পাতা হলুদ হওয়া রোধ করে।
- ফলন ও মান বৃদ্ধি: ধানের কুশি বাড়াতে, শিকড়ের গভীরতা বৃদ্ধি করতে এবং তেল জাতীয় ফসলের (সরিষা, তিল, বাদাম ইত্যাদি) তেল ও বীজের মান বৃদ্ধিতে জিপসাম অত্যন্ত কার্যকর।
- মাটির গঠন উন্নয়ন: মাটিতে ক্যালসিয়ামের উপস্থিতি মাটির কণাগুলোকে একত্রে বেঁধে রাখে। ফলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ে এবং এঁটেল মাটি ঝুরঝুরে হয়ে বায়ু চলাচল বৃদ্ধি পায়।
- লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ: লবণাক্ত বা সোডিয়ামযুক্ত মাটির বিষাক্ততা দূর করতে জিপসাম জাদুকরী ভূমিকা পালন করে।
- পিএইচ (pH) অপরিবর্তিত রাখা: জিপসাম সার প্রসম প্রকৃতির। এটি মাটির অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব বাড়ায় বা কমায় না।
- ব্যবহার: সাধারণত জমি তৈরির সময় বা বীজ বোনার আগে শেষ চাষে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।
- পরিমাণ: প্রতি বিঘায় (৩৩ শতাংশ) সাধারণত ৫ থেকে ৭ কেজি জিপসাম সার ব্যবহার করা হয়। তবে মাটির অবস্থা ও ফসলের ধরনভেদে পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে।
- বিশেষত্ব: অন্যান্য সারের সাথে (যেমন ইউরিয়া বা ডিএপি) সহজেই মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়।




Reviews
There are no reviews yet.